জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৩৮দিন
:
০৮ঘণ্টা
:
০২মিনিট
:
৩৬সেকেন্ড
বেগমগঞ্জের দূর্গাপুরে ধর্ষণ ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগে ইউপি মেম্বার সহ ১১জনের বিরুদ্ধে চার্জশীর্ট -

বেগমগঞ্জের দূর্গাপুরে ধর্ষণ ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগে ইউপি মেম্বার সহ ১১জনের বিরুদ্ধে চার্জশীর্ট

1 min read
169 Views

ইমাম উদ্দিন আজাদ, দৈনিক নোয়াখালী সময় ডট কম: নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষিত কিশোরী অন্তসত্তা: হলে, অর্থের প্রলোভনে চাচাত অবৈধ গর্ভপাত ঘটায়। মামলার জামিন প্রাপ্ত আসমীরা ভিকটিমের পরিবারের উপর নানা-ভাবে চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বেগমগঞ্জ উপজেলার ১১নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড এর আবিদ মিয়ার বাড়ীতে ঘটেছে। প্রতিবেশী আলী আকবর ওরফে আকাব্বর ব্যাপারীর পুত্র পল্লী চিকিৎসক কাউসার হামিদ ওরফে কাউসার আহাম্মদ (২৮) ভিকটিম কিশোরীরর পরিবারে চিকিৎসার নামে যাতায়ত করে। এই সুবাধে সুন্দরী অবলা কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক বার দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ফলে কিশোরী অন্তসত্বা হয়ে পড়ে। বিয়ের প্রলোভনে কালক্ষেপনের একপর্যায়ে বিষয়টি সমাজে জানাজানি হলে, স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মুকবুল মেম্বারের নেতৃত্বে শালিশ বৈঠকে ভিকটিমের পরিবারকে ৩ লক্ষ টাকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীরর চাচাত ভাই আলমগীরের তত্ববধানে প্রথমে চৌমুহানী পূর্ববাজারস্থ ইজি  ল্যাভে আল্ট্রা করিয়ে, পরে চৌমুহানী কলেজ সংলগ্ন গণিপুর লাভলী ভিলায় নিয়ে হোমিও ডাক্তার জেসমিন আক্তারের সাথে ৩০ হাজার টাকা চুক্তি বদ্ধ হয়ে ৭মাসের সন্তানকে অবৈধ গর্ভপাত ঘটায়। এর পর অবৈধ গর্ভপাতে ৭মাসের শিশুর লাশটি আলমগীরের হেফাজতে রাখা হয়।  বাদীকে সালিশের সিদ্ধান্ত মতে ভিকটিমের পরিবারকে কোন টাকা না দেওয়ায়, গত ৯ জুলাই বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ১১জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন, মামলা নং: ১৩/২০২০ইং। বেগমগঞ্জ মডেল থানার সাব-ইনস্পেক্টর বিপ্লভ কুমার সিংহ, ১। কাউছার হামিদ (২৮), ২। জেসমিন আক্তার (৪০), ৩। কমল সিংহ(৫০), ৪। ফারুক হোসেন(৫৫), ৫। শফি উল্যা (৬২), ৬। হারুন (৫২), ৭। রুহুল আমিন(৬০), ৮। মুকবুল মেম্বার (৬০), ৯। মমিন উল্যাহ (৫০), ১০। সিরাজ (৬০), ১১। হুমায়ুন (৬০)  এদের নামে মাননীয় বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। তন্মধ্যে ১নং আসামী কাওছার হামিদ, ২নং আসামী জেসমীন আক্তার জেল হাজতে।  কমল সিংহ, ফারুক হোসেন, মুকবুল মেম্বার জামিনে রয়েছে। শফি উল্যা, হারুন, রুহুল আমীন, মমিন মিয়া, সিরাজ, হুমায়ুন কবির পলাতক রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় মামলার ৩নং স্বাক্ষী ও ভিকটিমের চাচাত ভাই চতুর, অর্থলোভী আলমগীর (২৮) এর মধ্যস্থতায় ও মুকবুল মেম্বারের সহযোগীতায় ১নং আসামী কাউছার হামিদ , ২নং আসামী জেসমিন আক্তার এর যোগসাজসে চৌমুহানী কলেজ রোডের লাভলী ভিলায় ৭মাসের পুত্র সন্তানটিকে গর্ভপাত করে, লাশটি আলমগীরের হেফাজতে রেখে আসামীর পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা করে। নিরক্ষর অবলা মামলার বাদীকে ভুল বুঝিয়ে ও ভয় ভিতি দেখিয়ে মিমাংসার নামে আসামীদের জামিন পেতে সহায়তা করে । বিষয়টি নিয়ে এলাকার জনসাধারণের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভিকটিম ও এলাকাবাসীর ঘটনাটির সঠিক বিচার দাবী করে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *