জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৩৮দিন
:
০৮ঘণ্টা
:
০২মিনিট
:
৩৬সেকেন্ড
আ’লীগের সাবেক সভাপতি, স্পীকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মালেক উকিলের ১৭ অক্টোবর প্রয়ান দিবস -

আ’লীগের সাবেক সভাপতি, স্পীকার, স্বাস্থ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মালেক উকিলের ১৭ অক্টোবর প্রয়ান দিবস

1 min read
94 Views

ন্যাশনাল ডেক্স, দৈনিক নোয়াখালী সময় ডট কম: নোয়াখালীর গর্ব। নোয়াখালীর সূর্য সন্তান। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর। জাতীয় নেতা। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি,জাতীয় সংসদের সাবেক স্পীকার, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, বিশিষ্ট আইনজীবি জনাব আব্দুল মালেক উকিলের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে (১৭অক্টোবর) জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুন আমিন। শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় থাকুক আব্দুল মালেক উকিল সাহেব চিরদিন চিরসবুজ, সর্বদাই হাস্যজ্বল প্রাণখোলা, কিংবদন্তী আর একজন অসাধারন ব্যক্তিত্ব…! বেঁচে থাকবেন শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় হাজার বছর আমাদের মাঝে। নোয়াখালীবাসীর অন্তরে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের নেতা।এমন একটি কিংবদন্তী আর বর্ষীয়ান জাতীয় নেতা নোয়াখালিতে আর জন্ম নিবেনা,সত্যটা যদিও অনেকের গাত্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে,আমরা মানব কল্যাণে এ জীবনে এমন কিছু করে যেতে চাই যাহা আমাদের মুত্যর পর থাকবে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে, এটাই আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং আদর্শ হওয়া উচিত। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক কিংবদন্তি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। মুজিব আদর্শে দীক্ষিত। চলার পথে রয়েছে হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক প্রেরণা। সময়ের সাহসী সন্তান। অসময়য়ের প্রতিনিধি। নোয়াখালী জেলার কিংবদন্তী নেতা। রাজপথের সিপাহসালা। লাখো নেতা কর্মী র্তৈরীর কারিগর। লাখো কর্মির প্রানের স্পন্দন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দূরসময়ের কান্ডারি। কারা নির্যাতিত ছাত্র নেতা। সামরিক স্বৈরাচার আন্দোলনের নায়ক। নৌকা প্রতীকের দায়িত্ব পালন ও বহনের যোগ্য উত্তসুরি। ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯: দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মালেক উকিলের নেত্বত্বে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করে বিরোধী দলের আসনে, দুরসময়ের কর্ণদার। অসময়ের বার্তাবাহক । সৎ, মেধাবী,যোগ্যতা সম্পন্ন ও সৃস্টিশীলতার প্রতিক। প্রকৃত রাজনৈতিক নেতা ও সেবক। বঙ্গবন্ধু কন্য্‌,জননেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার উজ্জ্বল নক্ষত্র ও বিশ্বাসভাজন ছিলেন । ৩-৫ মার্চ, ১৯৭৮: সম্মেলনে আবদুল মালেক উকিল সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ।  আব্দুল মালেক উকিল (১ অক্টোবর ১৯২৪ – ১৭ অক্টোবর ১৯৮৭) বাংলাদেশের বিশিষ্ট আইনজীবি ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ইস্ট বেঙ্গল মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন এবং নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।  ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। ছাত্র হিসেবে তিনি ছিলেন ইস্ট বেঙ্গল মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন। ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীনতার আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ১৯৪৬ সালে তিনি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলা, বিহার এবং আসামে একনিষ্ঠভাবে প্রচারণা চালান। আবদুল মালেক উকিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবাস সম্মুখীন হয়েছিলেন। ভাষা আন্দোলনের সময় ১১ মার্চ ১৯৪৮ সালে তাঁকে প্রথম গ্রেফতার করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তাঁকেও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। পরবর্তীতে ২২ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ এবং ১৯৫৪ সালের জুন মাসে ইস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অধ্যাদেশ অধীনে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবারের হত্যার পর সেনাবাহিনী তাঁকে আবারও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তিনি ১৯৫৩ সালে নোয়াখালী সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬২-৬৪ সময়কালে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে ছিলেন এবং ১৯৭২ সালে এখানে থেকে পদত্যাগ করেন। উপরন্তু, মালেক উকিল ১৯৫৬, ১৯৬২ এবং ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা এবং সংযুক্ত প্রাদেশিক পরিষদ ও বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। ছয় দফা আন্দোলন সময় মালেক উকিলকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সংসদীয় কমিটির নয়টি সদস্যদের একজন হিসাবে নির্বাচিত হন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে লাহোরে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। পরে তাঁরা একসাথে করাচীতে ভ্রমণ যান। ১৯৭০ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ নোয়াখালী থেকে সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। আব্দুল মালেক উকিল বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি পাকিস্তান শিল্প কাউন্সিল এবং নোয়াখালী জেলার পাবলিক লাইব্রেরীর সচিব ছিলেন। নোয়াখালী কলেজ, মাইজদি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মাইজদি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাধের হাট আবদুল মালেক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি। তিনি বিখ্যাত ব্যক্তিদের আত্মজীবনীসমূহের একজন নিয়মিত পাঠক ছিলেন এবং এগুলো তিনি সংগ্রহে রাখতেন। ১৭ অক্টোবর, ১৯৮৭ তারিখে ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৬৩ বছর বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে । মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুন আমিন। শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় থাকুক আব্দুল মালেক উকিল সাহেব চিরদিন আমাদের অন্তরে। আশেক মাহমুদ শাহীন।সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি। সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি (আসাফো)। সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা সমিতি ঢাকা। সাংগঠনিক সম্পাদক সম্মিলিত সংগীত শিল্পী সোসাইটি কেন্দ্রীয় কমিটি। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ অডিও ভিডিও ব্যাবসায়ী সমিতি। কর্ণধার গীতালী । সাংস্কৃতিক কর্মী। সাবেক এ জি এস -সো,ক,সু ৯১-৯২ । সাবেক নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক ১৯৯৩ এবং ১৯৯৫ ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *